ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া নিয়ে নতুন বার্তা দিল ইসরাইল

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাসের হাতে আটক থাকা বন্দিদের মুক্তি দিতে চার দিনের যুদ্ধবিরতির একটি চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছিল ইসরাইলের মন্ত্রিসভা। ইসরাইল-গাজা যুদ্ধের ছয় সপ্তাহের মাথায় এসে হামাসের সঙ্গে এই চুক্তি হয়।

তবে ইসরাইল বলছে, শুক্রবারের আগে গাজার কোনো বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার।

ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জাচি হ্যানেগবি ‘শুক্রবারের আগে’ বন্দি মুক্তি ঘটবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এতে করে বন্দিদের মুক্তি বৃহস্পতিবার শুরু হতে পারে বলে যে জল্পনা ছিল, সেটি কার্যত হচ্ছে না বলেই মনে হচ্ছে।

হ্যানেগবি বলেছেন, ‘বন্দিদের মুক্তি মূল চুক্তি অনুযায়ী হবে। তবে তা শুক্রবারের আগে নয়।’

এর আগে ইসরাইলের মন্ত্রিসভা যুদ্ধবিরতির চুক্তির অনুমোদন দেয়। পরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী চার দিনের মধ্যে ৫০ জন বন্দি মুক্তি পাবে এবং এ সময়টিতে লড়াই স্থগিত থাকবে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এর পর অতিরিক্ত প্রতি দশজন বন্দির মুক্তির জন্য একদিন করে যুদ্ধবিরতি বাড়বে।’

বিনিময়ে চার দিনের মধ্যে ১৫০ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেবে ইসরাইল। তবে বন্দিদের মুক্তি কেন শুধু শুক্রবার শুরু হবে সে সম্পর্কে আর বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি ইসরাইল।

পৃথক প্রতিবেদনে আলজাজিরা জানিয়েছে, হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে চার দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে এ যুদ্ধবিরতি একদিন পিছিয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু নাও হতে পারে। এমনকি যেসব বন্দি মুক্তি পাবে তাদের নাম যতক্ষণ পর্যন্ত চূড়ান্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ যুদ্ধবিরতি হবে না। আর তাই কাতারের মধ্যস্থতায় শুরু হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতির বিষয়টি একটি ধাক্কা খেয়েছে বলেও জানিয়েছে আলজাজিরা।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান জানিয়েছে, ‘বৃহস্পতিবারও যুদ্ধ চলবে’। হারেৎজ নামে ইসরাইলি অপর এক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘গাজা উপত্যকায় লড়াই থামবে না যতক্ষণ না পর্যন্ত হামাসের সঙ্গে চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে চুক্তি না হচ্ছে।’

তবে ইসরাইলি এসব সংবাদমাধ্যমের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।

পূর্বের খবরঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু
পরবর্তি খবরবঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই এদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়: প্রধানমন্ত্রী