কুমিল্লায় গরুর হাট নিয়ে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে চলমান অস্থায়ী কুরবানির পশুরহাট নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউপির বাঙ্গড্ডাবাজার এলাকার কাদবা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— কাদবা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মোহাম্মদ (৩৫), মৃত মোহাম্মদের ছেলে মোবারক, গান্দাচী গ্রামের পলাশ, বাঙ্গড্ডা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সবুজ।
জানা যায়, সম্প্রতি যুক্তিখোলা বাজারের গরুরহাট নিয়ে নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলার মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার পর ওই গরুর বাজারটি বন্ধ করে দেয় উভয় উপজেলা প্রশাসন। বাজারটি বন্ধ হওয়ার পর কাদবা গ্রামের হুমায়ুন কবির বজলু কাদবা গ্রামে তার ফিসারি মাটি দিয়ে ভরাট করে সেখানে প্রতি শুক্রবার পশুরহাট বসান।

উপজেলা প্রশাসন অস্থায়ী কুরবানির পশুরহাটের ইজারা দেওয়ার জন্য টেন্ডার ছাড়লে সবুজ ইজারার জন্য আবেদন করেন। এবং উপজেলা প্রশাসন থেকে সবুজকে বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়।
ইজারা পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে লোকজন নিয়ে পশুরহাটে বাঁশ বসাতে গেলে বজলু বাধা দেয়। ঘটনা মীমাংসার জন্য শুক্রবার বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান পশুরহাটে গিয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মজুমদারকে নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে সহকারী কমিশনারের সামনেই উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। তবে এখনো কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া আক্তার লাকি বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছে। ওই বাজারটি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পূর্বের খবরঢাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের জাল মুদ্রাসহ আটক ১: ডিবি
পরবর্তি খবরনেইল পলিশের ব্যবহারের ইতিহাস